Showing posts with label World Affairs. Show all posts
Showing posts with label World Affairs. Show all posts

Saturday, December 18, 2021

হাইকমিশনার সমর সেন

 ভদ্রলোকের নাম সমরেন্দ্রনাথ সেন। 

ডাক নাম টিনু। 



জন্ম ১৯১৪ সালে, ঢাকা শহরে। 

স্কুল কলেজ পাস করে ভর্তি হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর চলে যান বিলেতে। উচ্চশিক্ষার জন্য। 

১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ ভারতের সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন।  

কাজ করেছেন  লন্ডনের ভারতীয় হাইকমিশনে, রাষ্ট্রদুত হিসেবে কাজ করেন অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, আলজেরিয়াতে। 

১৯৬৯ সালে তিনি জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব পান। 

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘ অধিবেশনগুলোতে বারবার উঠে আছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। সমর সেন রেখেছেন জোড়ালো ভূমিকা। তথ্য উপাত্ত দিয়ে বাংলাদেশে চলমান গনহত্যার বিষয়টি বিশ্ববাসীর নজরে আনতে লাগলেন সমর সেন। 

১৯৭১ সালের ৫ই অক্টোবর সমর সেন জাতিসংঘের সাধারন অধিবেশনে একটি বক্তব্য রাখেন। যার একটি অংশ নিচে তুলে দিলামঃ 

" শোষনের বিরুদ্ধে বাঙালিদের জেগে ওঠা এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য ভারতকে দায়ী করেছেন পাকিস্তানের প্রতিনিধি। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, পূর্ব পাকিস্তানিরাই তাদের অস্তিত্বের জন্য, তাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এই প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছেন। ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ করা বা না করার ওপর তাদের এই লড়াই নির্ভরশীল নয়। এঅবস্থার পরিবর্তন হবে তখনই, যখন শোষক ও শোষিতের মধ্যে রাজনৈতিক আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠবে। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, পাকিস্তানের প্রতিনিধি মাহমুদ আলী এই ব্যাপারে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি" 

মুক্তিযুদ্ধের সময় ইন্টারন্যাশন্যাল ডিপ্লোমেসিতে বাংলাদেশের পক্ষে অসমান্য অবদান রেখেছিলেন সমর সেন।  টানা পাঁচ বছর জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন সমর সেন। 

বাংলাদেশ স্বাধীনের পর যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ  সে সময়ে ভারতীয় ফরেন মিশনগুলোর মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই ছিল প্রায়োরিটির দিক থেকে উপরে। বাংলাদেশে প্রথম ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হয়ে এসেছিলেন সূবিমল দত্ত। উনার আদি বাড়ি ছিল চট্রগ্রামে। 

১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। তো প্রথা হল, অন্য কোনো দেশের শীর্ষ পর্যায়ের মেহমান কোনো দেশ সফরে এলে ঐ দেশে অবস্থান করা রাষ্ট্রদূতেরা বিমানবন্দরে গিয়ে তাকে স্বাগত জানান। ভুট্টোকে স্বাগত জানানোর পক্ষপাতি ছিলেন না সুবিমল দত্ত। ভদ্রলোক পদত্যাগ করলেন।  চলে গেলেন বাংলাদেশ ছেড়ে। ভুট্টোকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে উপস্থিত ছিলেন উপ-হাইকমিশনার জে এন দীক্ষিত।  

তো ইন্দ্রীরা গান্ধী  সমর সেনকে সুবিমল দত্তের জায়গায় নিযুক্ত করলেন।  অর্থাৎ বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার। 

একবছর পর পচাত্তরের ১৫ই আগস্ট ঘটে গেল ইতিহাসের ঘৃণ্যতম হত্যাকান্ড। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে মোশতাক সরকার ক্ষমতায়। ভারত বিরোধি হাওয়া তখন তুঙ্গে। পাকিস্তানের সাথে কনফেডারেশন তৈরি হতে পারে, এমন কথাবার্তা আকাশে বাতাসে প্রচার হতে লাগলো। চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিল। 

সেই কঠিন সময়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন সমর সেন।

 তিনি খন্দকার মোশতাককে বলেছিলেন, যদি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নাম পরিবর্তন করা হয় এবং কোনো দেশের সঙ্গে কনফেডারেশন করা হয়, তাহলে ভারতের কাছে থাকা বৈধ চুক্তির আওতায় ভারতের সেনাবাহিনী যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। 

যাই হোক। 

তো আজকে সমর সেন'কে নিয়ে লিখলাম। সাথে একটা ঘটনাও বলি। 

এই সমর সেন বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনার থাকা অবস্থায় ঘটে যায় আরো একটি ভয়াবহ ঘটনা। 

১৯৭৫ সালের ২৬শে নভেম্বর। 

কার্যত জিয়াউর রহমান তখন ক্ষমতায়। কর্নেল তাহের তখন বন্দি। 

তো জাসদের তৈরি বিপ্লবি গনবাহিনীর  পরিকল্পনা করেছিলো মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে জিম্মি করে মুক্তিপণ হিসেবে কর্ণেল তাহেরকে মুক্ত করতে। কিন্তু পরে সেই পরিকল্পনা বদলে তারা অভিযান চালিয়েছিলো ভারতীয় হাইকমিশনে। এই পরিকল্পনা ছিল কর্নেল তাহের ভাই অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনের। 

১৯৭৫ সালের ২৬শে নভেম্বর, জাসদের বিপ্লবী গনবাহিনীর ৬ জনের একটি দল হামলা চালায় ভারতীয় হাইকমিশনে। 

সমর সেনকে তারা ধরেও ফেলেছিলো। 

কিন্তু হাইকমিশনের ভেতরেই যে ভারতীয় কমান্ডো বাহিনীর সদস্যরা ছিল, সেটা তখন অনুমানও করতে পারেনি হামলাকারিরা।  বেলাল, বাহার, সবুজ, হারুন,  বাচ্চু, মাসুদ। ছয় জনের ভেতর চারজন হাইকমিশনের ভেতরেই গুলিখেয়ে  স্পটডেড। বাকিদুইজন আহত।  

হাইকমিশনার সমর সেনও গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। 

এই ঘটনার পর রীতিমত হুলুস্থল লেগে গেল। জিয়াউর রহমান শুরু করলেন জাসদের বিরুদ্ধে ক্রাকডাউন। 

তো ভারতীয় হাইকমিশনে  জাসদের হামলার এই ঘটনা নিয়ে মহিউদ্দিন আহমদের একটা বই আছে। বেঁচে যাওয়া হামলাকারী সহ মৃত হামলাকারিদের আত্মীয়স্বজনের ইন্টারভিউ আছে বইটিতে। কারো আগ্রহ থাকলে পড়ে দেখতে পারেন। 

সমর সেনের কাধে গুলি লেগেছিল।

 তিনি চিকিৎসার জন্য ভারত যাননি। বাংলাদেশেই চিকিৎসা নিয়েছিলেন।

 ১৯৭৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেন সমর সেন। এরপর সুইডেনের রাষ্ট্রদুত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ছিলেন ভারতের দিল্লি পলিসি গ্রুপে। পরবর্তীতে আবারও কাজ করেছেন জাতিসংঘে। জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান তার ভুয়সী প্রশংসা করেছিলেন। 

২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে মারা যান ঢাকাতে জন্ম নেয়া সমর সেন।



Read More »

Saturday, January 23, 2021

কিছু দৃষ্টান্ত, কিছু অনুপ্রেরণা, কিছু ব্যতিক্রম

 Honda কোম্পানির নাম শোনে নি, এমন মানুষ খুব কমই আছে।  সেই Honda কোম্পানির মালিক Soichiro Honda

মজার ব্যাপার হল, প্রথম জীবনে তিনি গিয়েছিলেন সার্টিফিকেট হাতে Toyota কোম্পানিতে চাকরির আশায়। কিন্তু তাঁকে চাকরি লাভে অযোগ্য বলে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

রাগের মাথায় তিনি সিদ্ধান্ত নেন, তিনি নিজেই একটা কোম্পানি বানাবেন।

তার বানানো Honda আজ দুনিয়ার অন্যতম নামকরা ব্রান্ড...

 

সাহিত্যিক, লেখক Stephen king এর নাম তো শোনার কথা।

Imdb তে নাম্বার ওয়ান মুভি "The Shawshank Redemption" কিন্তু তার লিখা।

এছাড়া সিরিয়াল Under the dome, মাইকেল জ্যাকসনের সাথে বানানো The Ghost মিউজিক ভিডিও সহ আরো অনেক মুভি সিরিয়াল তার লিখা বই এর কাহিনী অবলম্বনে বানানো।

তো স্টিফেন কিং তার প্রথম পান্ডুলিপি নিয়ে প্রকাশক'দের দরজায় দরজায় ঘুরে ছিলেন। কাজ হয়নি। কেউ তার বই প্রকাশ করতে চান নি। প্রকাশক'দের মতে লিখার মান নিন্মমানের।

রাগের মাথায় নিজের লিখা প্রথম পান্ডুলিপি ডাস্টবিনে ফেলে দেন স্টিফেন কিং। তার আর লেখক হবার শখ নেই।

কিন্তু তার স্ত্রী ডাস্টবিন থেকে সেটা আবার তুলে আনেন। ভাগ্যিস, নষ্ট করেন নি। নদীতে ফেলে দেন নি। আগুনে পুড়িয়ে দেন নি।

স্টিফেন কিং এর স্ত্রী সেই পান্ডুলিপি নিয়ে স্টিফেন কিং-এর হাতে আবার তুলে দেন।

অনেক কষ্টে এক প্রকাশক যোগাড় করেন দুজন মিলে।

অবশেষে প্রকাশিত হয় তার প্রথম বই।

এরপর সব ইতিহাস... !!

 

Oprah Winfrey কে সবার চেনার কথা। নাম তো শুনেছেন অনেকেই।

একসময়ের জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপিকা এবং দুনিয়ার সবচেয়ে ধনী মহিলাদের একজন।

তো Oprah প্রথম জীবনে একটা টিভি চ্যানেলে কাজ নেন। টিভি চ্যানেল তাঁকে বরখাস্ত করে। কারণ, টিভিতে উপস্থাপনা করার কোনো যোগ্যতা নাকি তার নেই।

যোগ্যতা ছিলো কি ছিলো না, সেটা আজ সবাই জানে !!

 

Akio Morita নামটা না শোনাই স্বাভাবিক। কিন্তু তার কোম্পানির নাম দুনিয়ার সবাই জানে !

Sony

তো Sony কোম্পানির প্রথম প্রোডাক্ট ছিলো রাইস কুকার।

ভাত রান্না করার বদলে ভাত পুড়িয়ে ফেলতো। ফলাফল, মাত্র ১০০ পিচ বিক্রি হয়েছিলো শুরুতে। এবং সেই বিক্রি হওয়া রাইস কুকারগুলোও ফিরিয়ে নিতে হয়।

কাস্টমাররা টাকা ফেরত নিয়ে যায়।

সনি কোম্পানির কোনো আশা ছিলো না।

কিন্তু Akio Morita ভেঙ্গে পড়েন নি। লেগে ছিলেন।

আর আজ ?

আজ Sony কোম্পানির কোয়ালিটি নিয়ে প্রশ্ন মনে হয় না কোনো পাগলও করবে।

 

Harland David Sanders নামটি না শুনলেও তাঁকে দেখেছেন। কোথায় ? 

KFC তে...

প্রথম জীবনে ভদ্রলোক তার স্পেশাল রেসিপি চিকেন এক রেস্টুরেন্টে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন। ১০০৯ বার রিজেক্ট হবার পর সেই রেস্টুরেন্ট তার রেসিপি গ্রহন করে।

এরপর টাকা জমিয়ে তিনি নিজের রেস্টুরেন্ট খোলেন।

আর আজ ?

আজ দুনিয়ার এখন দেশখুব কম পাবেন যেখানে কেএফসি নাই...

 

 

Walt Disney প্রথম জীবনে চাকরি করতেন এক নিউজ পেপারে। 

নিউজপেপার এডিটর তাঁকে বরখাস্ত করে। কারণ, তার নাকি ইম্যাজিনেশন ক্ষমতা কম। লেখার মান ভালো নয়।

যাই হোক, ইম্যাজিনেশন ক্ষমতা কম নাকি বেশি, সেটা আজ দুনিয়ার সবাই জানে।

 

 

আইনস্টাইন প্রথম কথা বলতে শুরু করেন চার বছর বয়সে। ( সেটা নিয়ে বহুল প্রচলিত একটা কৌতুক প্রচলিত আছে। যদিও সেটা কেবলই কৌতুক)

আইনস্টাইন পড়তে শেখেন ৭ বছর বয়স থেকে।

স্কুলের শিক্ষকরা তাঁকে mentally handicapped, slow and anti-social বলেছিলেন।

একসময় স্কুল থেকে তাঁকে বের করে দেয়া হয়।

স্কুলে পড়ালিখাই মোটেই ভালো ছিলেন না আইনস্টাইন।

বিয়েশাদি করে ২২ বছর বয়সে সুইজারল্যান্ডের পেটেন্ট অফিসে assistant examiner কাজ করতে হয়েছিলো আইনস্টাইনকে সংসার চালানোর জন্য।

বিভিন্ন নামকরা ইউনিভার্সিটিতে আবেদন করে রিজেক্ট হয়েছিলেন তিনি।

অথচ একটা সময় এই আইনস্টাইন সারা দুনিয়াতে নাম করে। তখন সেইসব ইউনিভার্সিটি আইনস্টাইনের আবেদন ফর্ম খুঁজে খুঁজে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখতো। সবাইকে দেখাতো, মহামতি আইনস্টাইন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছিলেন ! অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়টি খোদ আইনস্টাইনের চোখে ভালো। এটাই মুল ম্যাসেজ!

আজ আইনস্টাইনকে বলা হয় গত শতাব্দীর সবচেয়ে মেধাবি মানুষ।

 

 

Winston Churchill লিখাপড়াতে ভালো ছিলো না। Sixth grade এ এসে ফেল মারলো। 

রাজণীতিতে এসেও শুরুটা ছিল চরম হতাশাজনক।

সেই চার্চিল কেবল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীই ছিলেন না, তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পর্যন্ত পেয়েছেন।

 

 

বিখ্যাত পরিচালক স্টিফেন স্পিলবার্গ পরপর তিনবার ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার Theater, Film and Television বিভাগে অ্যাডমিশন নিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

অবশেষে যখন ভর্তি হলেন, তখন অর্ধেক পড়েই অফ গেলেন।

৩৫ বছর পর,  ২০০২ সালে আবার সেই অসমাপ্ত লিখাপড়া শুরু করেন। এবার তিনি কোর্স শেষ করেন। এবং BA ডিগ্রি পান অবশেষে।

অবশ্য তখন আর স্টিফেনের ডিগ্রি না হলেও চলে।

অস্কারসহ যাবতীয় যত পুরস্কার সম্মাননা পাওয়া সম্ভব, পেয়ে গেছেন আগেই। 

 

 

বিখ্যাত মার্কিন গায়ক Elvis Presley

জীবিত দশায় তো বটেই, আজ মৃত্যুর এতো বছর পরও পশ্চিমা মুল্লুকে এলভিস জনপ্রিয়।

তো প্রথম জীবনে Grand Ole Opry নামের এক country music এর কনসার্টে গান গেতে অডিশন দিতে আসেন এলভিস। সামান্যকিছু টাকার জন্য। 

Jimmy Denny ছিলো সেই কনসার্টের ম্যানেজার।

এলভিসের গান শুনে এলভিসকে বললো, " You ain’t going nowhere, son. You ought to go back to driving a truck."

ভাগ্যিস, সেদিন মনমরা হয়ে এলভিস গান ছেড়ে দেন নি।

অন্যথায় আজ "I can't help falling in love with you" , "you are always on my mind" এর মত গানগুলো আমরা পেতাম না।

 

 

 

দুনিয়া কাপানো ব্যান্ড The Beatles

প্রথম অ্যালবাম প্রকাশের জন্য গিয়েছিলো এক মিউজিক রেকর্ডিং কোম্পানির কাছে। 

কোম্পানির লোকেরা গান শুনে বলেছিলো, "we don’t like their sound, and guitar music is on the way out,”

সেই কোম্পানির হর্তাকর্তারা যে পরে মাথা ঠুকে ঠুকে ফাটিয়ে ফেলেছে, এব্যাপারে সন্দেহ নেই।

 

 

মাইকেল জর্ডান, বাস্কেটবলের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা।

অথচ সে কিনা স্কুল জীবনে স্কুল বাস্কেটবল টিম থেকে বাদ পড়েছিলো !!! 

কেমন হইতো যদি সে রাগ করে খেলাটা বন্ধ করে ভিন্ন কোনো খেলায় মন দিতো... অথবা লিখাপড়ায় মন দিতো !!এই রকম যদি আমি লিখতে থাকি, তাহলে লিখে শেষ করা যাবে না।

আমাদের হুমায়ুন আহমেদের বইগুলো ১৯৮৬ সালের আগেও তেমন বেশি বিক্রি হত না। কিন্তু টিভি'তে নাটক হিট করার পর তার বই এর বিক্রি বেড়ে যায়। এবং তার প্রথমদিকে লিখা বইগুলোই সবাই কেনা শুরু করে। এই রকম প্রচুর উদাহারণ আছে।

 

 

 

এবার একেবারে বিপরীত ধর্মী কিছু উদাহরণ দেয়া যাক

 

জাপানি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক Sho Yano ,

... তার IQ 200  


 

দুই বছর বয়স থেকে সে পড়তে শুরু করে,

তিন বছর বয়সে লিখতে,

চার বছর বয়সে ক্লাসিক্যাল মিউজিক প্লে করতে শিখে,

পাঁচ বছর বয়সে মিউজিক কম্পোজ করতে শুরু করে সে।

৮ বছর বয়সে SAT পরীক্ষায় ১৬০০ এর ভেতর পেয়েছিলো ১৫০০

১৮ বছর হতে না হতে molecular genetics and cell biology বিষয়ে University of Chicago থেকে পিএইডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

 

তিনি বলাটা ভুল। কারণ সে আমার চেয়ে বয়সে ছোট। এক বছরের। 

ছেলেটি জন্ম নিয়েছে ১৯৯০ সালে।

 

আবার Kathleen Holtz মাত্র ১০ বছর বয়সে California State University তে ভর্তি হন।



১৫ বছর বয়সে দর্শনে এবং ১৮ বছর বয়সে আইনে ডিগ্রি নিয়ে

২০০৭ সালে উকালতি পেশায় যোগ দেন।

যেখানে আমেরিকাতে bar Exam এ অংশনেবার ক্ষেত্রে গড়পড়তায় পরীক্ষার্থীর বয়স হয় ৩০

 

 

 




Gregory Smith মাত্র ১০ বছর বয়সে Randolph-Macon college এ ৭০ হাজার ডলারের স্কলারশিপ পেয়েছিলেন।

B.Sc করেন গণিত, ইতিহাস ও বায়োলজিতে।


 


১৬ বছর বয়সেই বিল ক্লিনটন ও সাবেক সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্ভাচভের সাথে আলোচনায় বসেন, এবং জাতিসংঘে ভাষণ দেন। সে বছর তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেও পান নি।

সে বছরেই আবার তিনি University of Virginia তে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভের জন্য ভর্তি হয়ে যান। বিষয়, mathematics, aerospace engineering, international relations and biomedical research.

১৯৮৯ সালে জন্ম নেয়া এই ছেলে এখন পর্যন্ত মোট চারবার নোবেল শান্তি পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হলেও পায় নি। হয়ত ভবিষ্যতে পাবে। পূর্ব তিমুর, রুয়ান্ডা, কেনিয়াতে মানবিক কাজকর্মের জন্য তাঁকে বিভিন্নসময় মনোনিত করা হয়।

 

 

Jacob Barnett মাত্র আট বছর বয়সে Indiana University-Purdue University Indianapolis এ ভর্তি হন।

তখন তার IQ 170 ( অর্থাৎ তখনই বিল গেইটস এবং খোদ আইনস্টাইনের চাইতে বেশি )  



১৯৯৮ সালে তার জন্ম। অর্থাৎ এই পোস্ট যখন লিখতেছি, তখন তার বয়স ১৬

Savant বাচ্চা হবার কারণে ছোটবেলা স্কুলে না গিয়ে বাড়িতে বসেই লিখাপড়া করেছে সে। এরপর সরাসরি ভার্সিটি।

বর্তমানে আইনস্টাইনের থিওরি অফ রিলেটিভিটি এবং Big Bang থিওরি নিয়ে নিরলস গবেষণা করছে এই ১৬ বছরের বালকটি। তার দেখভাল এখনো তার মা করে। বর্তমানে এইসব নিয়েই Perimeter Institute এ ডক্টরেট করতেছে সে।

 

 

 

ভারতের Akrit Jaswal

মাত্র ৭ বছর বয়সে রীতিমত ‘Surgeon’



১৯৯৩ সালে জন্ম নেয়া এই ছেলেটি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে কমবয়সী সার্জন এবং সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হওয়া ছাত্র।

তার IQ এখন ১৪৬

Oprah Winfrey টক’শোতে তাঁকে আমন্ত্রন করা হয়েছিলো।

 

 

 




ছবিতে যে বাবুটাকে মা বাবা’র সাথে দেখতেছেন, বাবুটার নাম Saffron Pledger

তিন বছর বয়সে যার ছিলো IQ 140  



ফলাফল, তিন বছর বয়সে বাবু’টা Mensa তে সদস্যপদ লাভ করে। Mensa হল দুনিয়ার ১০০টি দেশের সদস্য নিয়ে গড়া Intellectual high IQ society , যার সদস্যপদ হওয়া মানে দুনিয়ার টপ ২% আইকিউধারী মানুষের কাতারে নাম লিখানো।

 




মাত্র ১০ বছরে ভর্তি হওয়া নয়, রীতিমত স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে গিনিস বুকে নাম লিখেছিলেন Micheal Kearney

University of South Alabama থেকে তিনি এই ডিগ্রি লাভ করেন।

১৭ বছর বয়সে দ্বিতীয় গ্রাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেন Vanderbilt University থেকে।

২১ বছর বয়সে মোট চারটি গ্রাজুয়েট ডিগ্রি অর্জনের পর রসায়নে ডক্টরেট করেন।

২০০৬ সালে AOL’s Gold Rush জিতে ১ মিলিয়ন ডলার আয় করেন। বর্তমানে তার বয়স ৩১ বছর।

 

 



গিনেস বুক অনুসারে সবচেয়ে বেশি IQ ধারী ব্যক্তির নাম Kim Ung Yong

একজন কোরিয়ার নাগরিক।



৬ মাস বয়সে কথা বলতে শুরু করেন, এবং তিনবছর বয়স হতে না হতেই কোরিয়ান, জাপানিজ, জার্মান, ইংলিশ ও চাইনিজ ভাষায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন। চার বছর বয়সে ইংলিশ আর জার্মান মোট ২০০০ শব্দের অনুবাদ সে করতে পারতো।

কোরিয়ান, চাইনিজ ভাষায় তার কবিতার বই প্রকাশিত হয়।

তার বয়স যখন ৮ বছর, আমেরিকার NASA তাঁকে মার্কিন মুল্লুকে পড়ালিখা করার জন্য আমন্ত্রন জানায়।

১৬ বছর বয়সে নাসা ছেড়ে দিয়ে !!!! তিনি আবার কোরিয়া ফিরে জান।

সেখানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর PhD করেন।

Chungbuk University তে ২০০৭ সাল থেকে তিনি অধ্যাপনা করছেন। ৯০ খানার উপর পেপার পাবলিশ করেছেন হাইড্রোলিক্সের উপর।

 

 


আসলে এই রকম উদাহারন আরো অনেক আছে। কেবল বর্তমান কালেই নয়, অতীতেও ছিলো।

যেমন,  মোজার্টের মিউজিক শুনে আজও আমরা মুগ্ধ হই, সে মোজার্ট মাত্র ৬ বছর বয়সেই মিউজিক কম্পোজিশন শুরু করেছিলো।

মাত্র ৫ বছর বয়সে University of Salzburg, Austria তে পিয়ানো বাজিয়েছিলেন,

১৪ বছর বয়সে অপেরা’ কম্পোজ শুরু করেন ইতালিতে।

৩৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান। তার আগেই ৬০০ কালজয়ী মিউজিক কম্পোজ করেন।

 

আয়ারল্যান্ডের Wiliam Rowan Hamilton মাত্র ৫ বছর বয়স থেকেই বহুভাষাবিদ হয়ে যান। ল্যাটিন, গ্রিক, হিব্রু আয়ত্ত করেন।

১৩ বছর বয়সেই সংস্কৃত, ফারসি, ফরাসি, ইতালিয়ান, আরবি সহ ১৩ টি ভাষার শিখে নেন।

ছাত্র থাকা অবস্থাতেই তিনি The Royal Astronomer of Ireland এর সদস্য হন এবং Professor of Astronomy, Director of Dunsink observatory হিসেবে নিয়োগ পান।

গণিততে তার অবদান হল Theory of Dynamics and quaternions, a method used for 3-dimensional space in Mathematics.

১৮৬৫ সালে তিনি মারা যান।

 

William James Sidis কে বলা হয়, The Smartest man who ever lived



মাত্র ৮ বছর বয়সে এক নতুন লগারিদমিক টেবিল (base 12) তৈরি করেন এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দেন।

মাত্র ১১ বছর বয়সে বিশ্ববিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। যা রেকর্ড।

তার IQ 250-300 (estimated)

৮ টি ভাষা fluent বলতে পারতেন এবং মাত্র ৭ বছর হতে না হতেই তার নিজের লিখা চারটি বই বের হয়।

কম বয়সেই সেলিব্রিটি হয়ে যাবার কারণ টাকার প্রতি মোহ তৈরি হয়। উচ্চ বেতনের কর্পোরেট জব করা শুরু করেন। ফলাফল, মেধার অপচয়। অকাজে মেধানষ্ট। নিউজপেপারে তাঁকে নিয়ে ফিচার ছাপা হয় এই শিরোনামে যে, “Genius had burned out”

১৯৪৪ সালে তিনি মারা যান।

 

 

নেট ঘাটলে এই রকম child prodigy বা savant টাইপের মানুষ অনেক অনেক পাবেন। Boby fisher এর মত বিখ্যাত দাবাড়ুকে পাবেন।

এরা আগেও ছিলো। এখনো আছে। ভবিষ্যতেও এমন আসবে।

 

 

 

আইনস্টাইন  বলেছিলেন, “দুনিয়ার সব মানুষই জিনিয়াস। তবে কেউ যদি গাছের ওঠার ক্ষমতা দিয়ে মাছের প্রতিভা যাচাই করে তাহলে মাছ সারাজীবন বানরের কাছে হারবে”

 

শচিন টেন্ডুলকারের ক্ষমতা ব্যাট হাতে, কলম হাতে নয়। ব্যাট হাতেই সে জিনিয়াস।

আবার গ্যারি ক্যাসপারোভ বা ববি ফিশার দাবার চালে জিনিয়াস হলেও রাজনীতির চালে দুজনেই ব্যর্থ।

 

আসল বিষয়টি সম্ভবত বলে গিয়েছিলো Steve Jobs,

“Don’t settle, stay hungry”

মুল ব্যাপারটা সম্ভবত নিজেকে চেনার ভেতরে। অর্থাৎ Know thyself

 

নিজে কি পারি, সেটা খুঁজে বের করার ভেতর। অন্য কেউ কি পারে, সেটা দেখে কপি করতে গেলে সারাজীবন তাঁর পেছনেই থাকতে হয়। 

 

যাই হোক, জীবনের turning point কখন কিভাবে আসে, বলা মুশকিল।

তবে আসে, এটা সত্য। সবার জন্য আসে। কেউ সেই সুযোগটা ক্যাশ করতে পারে ভালোভাবে, কেউ পারে না।

তবে সবাই রাজা হলেও তো সমস্যা। তাহলে রাজার প্রজা কারা হবে !



*** আর্টিকেলটি প্রথম লিখেছিলাম ২০১৫ সালে। ফেসবুক নোটে। 

Read More »

টাইটানিকের কথা

 নিচের ছবির জাহাজ’টির নাম একটা বাচ্চা ছেলেও জানে। জাহাজ’টির নাম ‘Titanic’,

the largest ship afloat at that time, was considered unsinkable



কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, নিচের জাহাজ’টি আসলে Titanic নয়।

এর নাম Olympic, Titanic জাহাজের identical twin !! 

(নাম মুছে দিলে সে’সময় কেউ ধরতেও পারতো না, কোনটি Titanic, আর কোনটি অলিম্পিক) 

 

সত্যিটা হলো, Titanic was not “the largest” ship,

rather it was ‘one of the largest’ ship ever built at that time !! 

 

কিন্তু গত শতাব্দীর সবচেয়ে আলোচিত জাহাজটি ডুবেছে? নাকি জোর করে ডোবানো হয়েছে?? আর কোন জাহাজটি ডুবেছে?? টাইটানিক, নাকি অলিম্পিক?? আর যদি sabotage করে ডোবানো হয়ে থাকে, তাহলে কারা একাজ করেছে?? কেন করেছে?

একটু পেছন থেকে শুরু করি।

যারা রিসেন্ট ‘Global economic crisis’ নিয়ে হালকা পাতলা অনুসন্ধান করেছেন, তারা সবাই নিশ্চয় জানেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বড়বড় ব্যাংক ও ব্যাংকের কর্ণধার’দের সম্পর্কে।

JP Morgan, Goldman-Sachs, Morgan-Stanley, এরা হল মার্কিন অর্থনীতি বা মোটা দাগে বললে “সারা-দুনিয়ার অর্থনীতি” নিয়ন্ত্রণের খেলার সবচেয়ে বড় খেলোয়াড়।

এদের তৈরি ব্যাংকগুলো নামকরন করা হয়েছে এদের নিজেদের নামের সাথে মিল রেখে। JP Morgan / Goldman-Sachs / Morgan-Stanley ব্যাংকগুলো মার্কিনমুল্লুকের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যাংক।

 

তো, John Pierpont Morgan (চিত্র-২) পঁয়ষট্টি বছর বয়সে, ১৯০৩ সালে, ইংল্যান্ডের বিখ্যাত Shipping কোম্পানি “white star line” কিনে নেন। 

কিনে নেবার পেছনে যথেষ্ট কারণ ছিলো।

 



 

সে সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ ইউরোপ থেকে ইমিগ্রেন্ট হয়ে “স্বপ্নের-দেশ”, আমেরিকা’তে পাড়ি জমাচ্ছিলো।

 সস্তা দামের টিকিটের কারনে ‘white star line’ ছিলো সাধারন মানুষের কাছে সবচেয়ে পছন্দের।

এখনকার আকাশ পথের Emirates airline-এর মত।

কিন্তু উচ্চবিত্ত?? 

তাদের তো luxurious cabin লাগবে   আলতুফালতু জাহাজে তো তারা উঠবে না। তাদের প্রেস্টিজ নষ্ট হয়ে যাবে না !!  

বাংলাদেশ থেকে জনৈক ধনী ব্যবসায়ী যুক্তরাষ্ট্র যেতে স্বাভাবিকভাবেই British airways ব্যবহার করবেন। ব্যাপারটা ছিলো অনেকটা তেমনই।

 

‘white star line’ কোম্পানির জাহাজগুলো আমজনতার কাছে অনেক জনপ্রিয় ও ভ্রমনের জন্য প্রথম পছন্দ হলেও, উচ্চবিত্তের পছন্দের বাইরে ছিলো। যদিও সে সময়ে ‘white star line’-এর জাহাজগুলো’তে বেশ ভালোই first class cabin এর ব্যবস্থা ছিলো।

 

 (ব্যাপারটা বাংলাদেশের BRTC বাসের মত। যত আধুনিক বাস’ই তারা আনুক না কেন, উচ্চবিত্ত বেশি পয়সা দিয়ে হলেও GREEN LINE-এর VOLVO তে উঠবে )

 

তো JP Morgan সাহেব এই বিশাল লাভজনক শিপিং ব্যবসা’কে আরো জনপ্রিয় করে তোলার উদ্যোগ নিলেন। ১৯০৭ সালে তিনি Northern Irish ship building কোম্পানি, Harland & Wolff-কে দায়িত্ব দিলেন ‘white star line’-এর জন্য তিনটি luxurious ship বানাতে।

এই তিনটি জাহাজের নাম হবে যথাক্রমে Olympic, Titanic এবং Britannic

 

একেবারে same সাইজের তিনটি জাহাজ বানিয়ে দুনিয়া’কে তাক লাগিয়ে দেয়া হবে, যা হবে সেই সময়ের বিচারে, the largest moving objects ever built  

এদের ভেতর Titanic আর Olympic হুবহু same ডিজাইনের identical twin.

 ( কিছু internal ছোটখাটো পার্থক্য ছাড়া। যেটা আমজনতার চোখে পড়ার প্রশ্নই আসে না )

 

তো, একই সাথে জাহাজ দু’টো তৈরির কাজ চলতে থাকে northern Ireland-এর Belfast শহরে। (চিত্র-৩)

 



 

ওদিকে, ১৯১০ সালে আমেরিকার (Jekyll Island, Georgia)-তে এক গোপন মিটিং আয়োজন করে পর্দার আড়ালে থাকা মার্কিনী মুল্লুকের সবচেয়ে প্রভাবশালী-ক্ষমতাধর লোকজন।

কিন্তু সাংবাদিকরা somehow ঠিকই খবর পেয়ে যায়।

 এই সমাবেশে JP Morgan, Rockefellers organization এবং Goldman sachs এর কান্ডারি’রাও ছিলো। সেইসাথে ছিল তাদের Godfather, Rothschild এই মিটিং, দুনিয়ার ভাগ্য বদলে দেয়। Federal Reserve Bank নামের শয়তানী concept এখানেই তুলে ধরা হয়।

হা, সেই Federal Reserve ব্যাংকের কথা বলছি যা এখন পুঁজিবাদী দুনিয়ার অর্থনীতি নিয়ন্ত্রন করে।

কিছুদিন আগে এটা নিয়ে লিখেছিলাম। 

https://www.facebook.com/mostwanted36/posts/10202657016616883

 

Federal Reserve is more of a system and Gateway for world domination”

এব্যাপারে বলে রাখি, it may sound amazing,

 প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্ল্যান করা হচ্ছিলো সেই ১৮৯০ সাল থেকেই   যুদ্ধে যাবার জন্য কেবল বড় ধরনের একখানা ইস্যুর দরকার ছিলো। ইস্যু তৈরি করা তেমন কঠিন ছিলো না। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিলো যুদ্ধে আয়-ব্যয়, অর্থাৎ লাভ লোকসানের হিসাব।

 

there was no way to finance the war. After all, it would have taken absolute massive amount of money to run a full scale war for a long time.

সুতরাং ১৯১০ সালের মিটিং-এ তারা একটা way বের করল,

to create money out of thin air by introducing Federal Reserve Bank concept.

 

প্ল্যানটা ছিলো খোদ তাদের নিজেদের দেশ,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারের কাছ থেকে ব্যাংকিং সিস্টেম’টা এক রকম চুরি করে নিজেদের কুক্ষিগত করা।

অর্থাৎ টাকা (Money) তৈরির একটা “new way” তারা introduce করবে, যা হবে বেসরকারি মালিকানায়।

 

After all, when you introduce a way of creating money into the systemwhich is not done by the government, rather it’s done by the private interest,then every currency, which come into circulation, has a portion of “interest” (সুদ) attached to it, which is owned to the bankers.

 

বাংলাদেশের পেক্ষাপটে চিন্তা করলে ব্যাপারটা অনেকটা এমন শোনাবে যে আপনি “বাংলাদেশ ব্যাংক” আগামীকাল সকালে কিনে নিলেন। 

  যা কিনা এদেশের central ব্যাংক 

অতঃপর আগামীকাল দুপুর থেকে আপনি বাংলাদেশের টাকা’র নোট (currency) বানানো শুরু করলেন, এজন্য নয় যে বাংলাদেশ সরকার আপনাকে টাকা বানাতে বলেছে বা আপনার কাছে টাকা চেয়েছে, বরং as a private organization, নিজের মনের মাধুরি মিশিয়ে, যা মন চায়, যত খুশি মনে চায়, টাকা আপনি বানাবেন, অতঃপর সরকার’কে লোন দেবেন 

    believe it or not    

(কারন এখন আর টাকার মালিক সরকার নয়, টাকার মালিক আপনি।অর্থাৎ বাংলাদেশে যত টাকার নোট আছে, সবগুলো আপনি own করেন, তাতে আপনার নাম লিখা থাকে)

যেখানেই লোন, সেখানেই interest (সুদ)

সরকার তখন প্রতিটি টাকার জন্য আপনাকে interest দিতে বাধ্য।

 ইয়েস, ঠিকই শুনেছেন।

 সরকারই আপনাকে সুদ সহ আসল ফিরিয়ে দিতে বাধ্য।   Believe it or not   

 

আমাদের ভাগ্য ভালো, বাংলাদেশ ব্যাংক এখনো সরকারের হাতে আছে। কোনো মহান সন্ন্যাসী বা “দরবেশ বাবা” এখনো এটা’কে বগলদাবা করতে পারে নি। একারনে আমাদের সরকারের ঋণ কম।

ওদিকে JP Morgan-এর মত মানুষ’দের কল্যানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের central ব্যাংকতথা Federal reserve bank একটা বেসরকারি ব্যাংক। সেই ১৯১৩ সাল থেকে।   

 

যেসব Dollar নোট আপনি চোখের সামনে দ্যাখেন, সবই বেসরকারি।

 তার উপর লিখা Federal reserve, অর্থাৎ এটা Federal reserve এর সম্পত্তি, মার্কিন সরকার’কে এর জন্য interest দিতে হবে। 

after all, money = debt

 

মার্কিন সরকারের আকাশ সমান ঋণের মুল কারন আসলে এটিই। Inflation এর মুল কারনও আসলে এটাই।

 

তো, ১৯১০ সালেই Federal reserve করতে চেয়েছিলেন JP Morgan-এর মত স্বার্থবাদী ক্ষমতাধর লোকজন।কিন্তু তখন এটা সম্ভব হয় নি। না হবার মুল কারন- এর বিরোধীতাকারীরা।

ভাবছেন, বিরোধীতা করেছিলো আমজনতা??, যারা কিনা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

কিন্তু না।

পত্র পত্রিকা’তে খবরটি ছাপা হয়েছিলো। কিন্তু আমজনতা স্বাভাবিকভাবেই এসব কিছুই বোঝে না। 

আমজনতা রাজনীতি, সমাজনীতি, ধর্ম-কর্ম নিয়ে বিস্তর ফটর ফটর করতে পারে, কিন্তু অর্থনীতি বিষয়টি এড়িয়ে যায়। এটা তারা কিছু বোঝে না, বুঝতেও চায় না, বুঝতে চেষ্টাও করে না।

উদাহরণ হিসেবে আমাদের দেশের রিসেন্ট শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির কথা চিন্তা করেন।

সবাই জানে, শেয়ার বাজারে বিশাল অন্যায় কিছু, খারাপ কিছু হয়েছে।

কিন্তু কী হয়েছে?? কিভাবে হয়েছে?? কেন হয়েছে?? কে করেছে?? এসব খুব কম মানুষ ভালোমত জানে বা বোঝে।

 

সাংবাদিকরা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদগনের কাছে মাইক্রোফোন ধরেন আর তারা অর্থনীতির বিবিধ জটিল টার্ম ইউজ করে ব্যাপারটি এনালাইসিস করেন। স্বাভাবিকভাবে অর্থনীতির ছাত্র ব্যাতিত আমজনতা তার কিছুই বোঝে না।

 

মার্কিন Ford car কোম্পানির মালিক,Henry Ford রসিকতা করে একটা কথা বলতেন,

“It is well enough that people do not understand our banking and money system.

Because if they did, I believe there would be a revolution before tomorrow morning” :’(

 

তো, ১৯১০ সালে Federal Reserve concept বিরোধীতা করেছিলো যারা, 

তারা হল John Jacob Astor ,Benjamin Guggenheim and Isador strauss

এরা তিনজন ছিলো সেই সময়ের top three richest people in the world

 

এরা তিনজনই ছিলেন industrialist, অর্থাৎ ব্যবসায়ী।

অনেকটা একালের বিল গেইটস বা স্টিভ জবসের মত।

 but not like, warren buffet, যারা টাকা দিয়ে টাকা বানান। অর্থাৎ finance related ধান্দা করে।

 

তো, এই তিনজন ধনী ব্যক্তি বিরোধীতা করেছিলোকারন যেকোনো ধরনের inflation তাদের production and market নির্ভর ব্যবসার জন্য ক্ষতিকর।

after all,

ওই যে বললাম, এদের ব্যবসা ছিলো বিল গেইটসের মত।

 JP Morgan সাহেব’দের মত টাকা দিয়ে টাকা বানানোর ধান্দা এদের ছিলো না।

 

তো, ১৯১১ সালের ১৪ই জুন তিনটি জাহাজের প্রথমটি, অর্থাৎ Olympic যাত্রা শুরু করল।

প্রথম যাত্রা সুখকর ছিল না। 

একখানা বিশাল মার্কিন tug boat-কে ধাক্কা দিয়ে একরকম ডুবিয়ে দিয়েছিলো।

সেপ্টেম্বর মাসে Royal navy cruiser HMS Hawke-এর সাথে ভয়াবহ ধাক্কা খেলো।

বেশ ভালো রকমের damage হয়েছিলো অলিম্পিকের।

 



 

ব্রিটিশ Navy এই দুর্ঘটনার তদন্ত করে এবং অলিম্পিক জাহাজের ক্রু’দের দুর্ঘটনার জন্য দোষী সাব্যস্ত করে। 

ফলসরুপ অলিম্পিক জাহাজের জন্য করা মিলিয়ন পাউন্ডের insurance বাতিল হয়ে যায়।

 

এ প্রসঙ্গে বলি, তিনটি জাহাজের প্রতিটিরই insurance করা ছিলো।

insurer ছিলো Lloyds bank of London

তো, ইনস্যুরেন্স ছাড়া যদি Olympic জাহাজ’টিকে মেরামত করতে হয়, তাহলে বেটা White star line একেবারে bankrupt হয়ে যাবে।

বিশাল অংকের টাকা তারা ইতিমধ্যে ব্যয় করেছে জাহাজ তৈরির কাজে। এক পয়সা লাভ না গুনেই বজ্জাৎ জাহাজ’খানা গেলো নষ্ট হয়ে।  

White Star line-এর মাথায় হাত :’( 

তাদের সামনে তখন দুটি option

হয় Olympic জাহাজটিকে scrap বানানো, অর্থাৎ ভেঙ্গে চুড়ে recycle অথবা patch-up করা।

অর্থাৎ জোড়াতালি মারা।

 

( কিন্তু patch up কাজ শেষ করতে ৭ সপ্তাহ লাগবে। এই লেভেলের জাহাজ এতোদিন out of duty থাকা মানেও বিশাল ক্ষতি।তার উপর patch up করাটাও যথেষ্ট ব্যয়বহুল হবে। after all, জনাব JP Morgan তার investment-এর খুব দ্রুত return চান)

 

এখন কী আর করা!!

 

নিরুপায় হয়ে patch up করা হলো Belfast-এ নিয়ে গিয়ে।

 সেই সাথে Titanic নির্মাণ কাজ দ্রুত কমপ্লিট করার দিকে নজর দিতে বলা হল।যাতে ১৯১২ সাল থেকে একসাথে দুটি জাহাজ সার্ভিস দিতে পারে। দ্রুত revenue তুলে আনতে পারে।

Believe it or not, 1912 সালের জানুয়ারি নাগাদ তড়িঘড়ি করে মেরামত কাজ শেষ হবার পর আবার একটা accident করে বসলো Olympic জাহাজ।

এবার তার একখানা propeller নষ্ট হয়ে গেলো।



 

ফলে আবার তাকে Belfast-এ পাঠানো হলো মেরামতের জন্য। 

এখানেই আবারও টাইটানিক আর অলিম্পিক জাহাজ দুটোকে একসাথে ফোটোগ্রাফ করা হয়।

টাইটানিক জাহাজের নির্মাণ কাজ তখন প্রায় শেষ। (চিত্র-৬)



 

সম্ভবত এখানেই দুটো জাহাজ’কে switch করা হয়। 

অন্তত conspiracy বিশেষজ্ঞরা তেমনটি মনে করে। কিছু প্রমান না হয় আপনিই দেখুন। যেমন-

অলিম্পিক জাহাজের সম্মুখভাগের C deck-এ ১৬ টা bow porthole ছিলো, আর টাইটানিকের ছিলো ১৪ টা (according to Harland & Wolff records ) 

 


 



মজার ব্যাপার হলো, Titanic জাহাজের maiden voyage-এর যতগুলো ফটো তুলেছিলেন সেই সময়ের সাংবাদিকরা,

সবগুলোতে দেখা যায়, টাইটানিক জাহাজের porthole আছে ১৬টি     ( কীভাবে সম্ভব?? )

 

(চিত্র-৯) পেছনের অংশের E deck টি Olympic এর open type আর টাইটানিকের enclosed type



এছাড়া জানালার বিন্যাসগুলো কিছুটা ভিন্ন। এক জানলার সাথে পাশের জানলার spacing টা অলিম্পিকে ইউনিফর্ম।



 

সেই হিসেবে, Titanic জাহাজের maiden voyage-এর সবগুলো তোলা ছবি দেখলে যে কেউ বুঝবে, এটা অলিম্পিক জাহাজ।

ওই যে বলেছিলাম, অলিম্পিক জাহাজের তিনটি propeller-এর মধ্যে একখানা নষ্ট হয়ে গেছিলো, according to H&W archive, ওটা রিপ্লেস করা হয়েছিলো marked 401 number Propeller দিয়ে।

H&W কোম্পানির সবগুলো propeller-কে এভাবেই marking করা হত।

 

মজার ব্যাপার হল, সমুদ্রের তলে টাইটানিক জাহাজের যে ধ্বংসস্তুপ আছে, তার তিনটি propeller-এর মধ্যে একটিতে স্পষ্ট marking করা, 401





 

অলিম্পিক জাহাজটি accident করার কারনে তার সম্মুখভাগের নিচের অংশে permanent scratch পড়েছিলো।

 

মজার ব্যাপার হলো, টাইটানিকের maiden voyage-এর যে ছবিটা সারাদুনিয়ার পত্রপত্রিকাতে তখন ছাপানো হয়, সবগুলোতেই নিচের দিকে একই রকমের scratch দেখা যায়।    

কিন্তু টাইটাইটানিকে তো scratch থাকার কথা না। হাজার হোক, এটা তার maiden voyage   !!! 

 

এছাড়া আরো অনেক অনেক অসামঞ্জস্যতা আছে।

 

১৯৮৬ সালে Robert Ballard নামের এক মার্কিন নেভি অফিসার সাগরের তলদেশে Titanic জাহাজের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন।

এর পর থেকেই এসব নিয়ে বিস্তর গবেষণা শুরু হয়।

 

আগেই বলেছিলাম, অলিম্পিক জাহাজ accident করার পর তাতে জোড়াতালি দেয়া হয়েছিলো।

patch up করা হয়েছিলো মুলত নিচের অংশের ভেতরের দিক থেকে।

যাতে বাইরে থেকে দেখতে খারাপ না লাগে, বোঝা না যায়।

 টাইটানিকের জাহাজের ধ্বংসাবশেষের পর্যবেক্ষণ করে তার নিচের দিকের অংশে জোড়াতালি বা ঝালাই পেটাই করার আলামত দেখা যায়। এগুলো মুলত ছিলো evidence. 

 

এবার আবার facts-এ ফেরা যাক।

১০ই এপ্রিল টাইটানিকের maiden voyage JP Morgan এবং White star line সারা দুনিয়াতে, বিশেষ করে ইউরোপে, টাইটানিক জাহাজের maiden voyage-এর publicity করে।

(চিত্র -14 এ দেখছেন Titanic জাহাজের পোস্টার)





 

পোস্টারে যা লিখা, তার সোজা বাংলা হল, দুনিয়ার সবচেয়ে বড় জাহাজ এটি। উঠতে চাইলে টিকিট কাটুন।    

কী?? খটকা লাগছে??

একবছর আগে তো অলিম্পিক জাহাজ যাত্রা করেছে। সেই সময় তো এতো publicity হয় নি।

অলিম্পিকে যারা উঠেছিলো, তারা তো টেরও পায় নি, এটা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় জাহাজ!! 

তাহলে টাইটানিকের বেলায় এতো ঢাক-ঢোল পেটানো হল কেন??

 

এখানে একটা ব্যাপার সবাইকে খেয়াল রাখতে বলি।

তখন ১৯১২ সাল। সুতরাং সেই সময়ের প্রচারমাধ্যম, সাংবাদিকতা, সর্বোপরি ক্যামেরার বিষয়টি মাথায় নিয়ে ব্যাপারগুলো চিন্তা করবেন। সে সময় নিশ্চয় investigation journalism ব্যাপারটা একালের মত ছিলো না। আমজনতা দুনিয়ার ব্যাপারস্যাপার খুব কমই জানতো।

 

যে টাইটানিকের maiden voyage হবার কথা ২১শে মার্চ, সেটা suddenly পেছানো হল কেন?? পিছিয়ে ১০ই এপ্রিল কেন করা হল??

এখানেই ঘাপলা।

এসময় জনাব JP Morgan ছিলেন ইউরোপ ট্যুরে।

তিনি কোনোএক অজুহাতে John Jacob Astor ,Benjamin Guggenheim and Isador strauss-কে রাজি করিয়েছিলেন, তার সাথেই টাইটানিকের টিকিট কাটতে।

 তারা তিনজন তখন মনের আনন্দেই টিকিট কেটেছিলেন। 

হাজার হোক, এটা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় জাহাজ। সেই সাথে খুব specific করে বলা হচ্ছে, এটা নাকি unsinkable (ঘাপলাটা খেয়াল করেন)সেই সাথে খোদ JP Morgan নিজেও যাচ্ছেন তাদের সাথে।

 

তো, ১৯১২ সালেই ১০ই এপ্রিল দুনিয়ার এই শীর্ষ তিন ধনী টাইটানিক জাহাজে আরোহন করেন।

মজার ব্যাপার হলো, জনাব JP Morgan সাহেব সেদিন অসুস্থ অনুভব করেন।

 তিনি একেবারে শেষ মুহূর্তে যাত্রা বাতিল করেন।

অথচ তিনি যাবেন বলেই ওই তিনজন টিকিট কেটেছিল। 

শুধু JP Morgan একা নয়, তার JP Morgan কোম্পানির সব কর্মকর্তারা সেদিন অসুস্থ হয়ে পড়েন     প্রায় ৫০ জন শেষ মুহূর্তে যাত্রা বাতিল করে। এটা মনে হয় দুনিয়ার সবচেয়ে lame coincidence   

 

একবার লক্ষ করুণ, ব্যাপক publicity করার কারনে অনেক মানুষ টিকিট কিনেছে।

 বিশেষ করে second and third class টিকিট সস্তা এবং পরিমানে বেশি হবার কারনে অনেক আমজনতা টিকিট কেটেছে।যাদের অধিকাংশ একেবারে গরীব। সেই সাথে জাহাজের আছে Federal reserve bank বিরোধী শীর্ষ তিন ধনী।

সুতরাং জাহাজটি ডুবলে মনে হয় না কেউ তেমন একটা সন্দেহ করবে। প্রশ্ন তুলবে।

 

ওদিকে টাইটানিক জাহাজের ক্যাপ্টেন করা হয়েছে Edward J Smith- কে। 

 

Believe it or not, তিনি ছিলেন অলিম্পিক জাহাজের ক্যাপ্টেন   !!  

অলিম্পিক জাহাজের তিনটি দুর্ঘটনার জন্যই এই মহামানব’কে দায়ী করা হয়েছিলো। খোদ ব্রিটিশ নেভী ভদ্রলোকের ক্যাপ্টেনগিরি করার যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলো। এমন একজন লোক’কে ক্যাপ্টেন বানিয়ে সেই জাহাজের JP Morgan নিজে উঠবেন, এতো পাগল, মনে হয় সে না 

  ( ওই জন্যেই মনে হয় ১০ই এপ্রিল বেটা অসুস্থ ছিলো। পেট খারাপ করেছিলো তার   )

 

ওদিকে, টাইটানিকের chief officer, Henry Wilde জাহাজ ছাড়ার ঠিক আগে তার বোন’কে চিঠিতে লিখেছিলেন, “I still don’t like this ship”

কথার টোণ খেয়াল করুণ।

“I still…. “ (এটা না টাইটানিকের maiden voyage?? )

 

Henry Wilde-এর বোন ছিলেন আগের বছরের Olympic জাহাজের maiden voyage-এর first class passenger

(এবার মিলিয়ে নিন)

আরো একটা ব্যাপার অবাক করার মত, without publicity, অলিম্পিক জাহাজের প্রথম যাত্রায় তা ছিলো ভর্তি। 

অথচ এতো প্রচারের পরও টাইটানিক জাহাজ ছিলো half full

 

সব Second and third class টিকিট বিক্রি করা হলেও বিলাসবহুল জাহাজের সবচেয়ে লাভজনক First class সীটের টিকিট বিক্রি করা হয়েছিলো মাত্র অল্পকিছু।

আর অল্পকিছু first class টিকিট JP Morgan সাহেব বেছে বেছে কিছু elite মানুষের কাছে বিক্রি করেছিলেন।

 কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো,কাগজ-কলম নিয়ে হিসাব করলে দেখা যায়, এসব ২০-২৫ জন elite যাত্রীর যে কেউ মরলেই JP Morgan সাহেবের কোনো না কোনো দিক দিয়ে লাভ হয়।  

যাই হোক, অর্ধেকেরও বেশি first class সীট খালি ছিলো। আর JP Morgan সাহেব’কে তার বৌ’য়ের সাথে সেদিন France –এর সবচেয়ে বড় জুয়েলারি দোকানে কেনাকাটা করতে দেখা যায়।

( it is documented, by the way) (কিন্তু তিনি না অসুস্থ??   :o)

 

এবার আসি, সেই বিখ্যাত আইসবার্গের সাথে ধাক্কাধাক্কীর প্রসঙ্গে।

 (চিত্র -১৫, এটিই সেই বিখ্যাত আইসবার্গ)




ধরুন, ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম যাবার পথে আপনার GREENLINE bus খারাপ হয়ে গেলো।এবার আপনি কী করবেন?? 

সব যাত্রীর সাথে রাস্তায় নেমে, আসতে থাকা নেস্ট GREENLINE bus থামাবেন। তাই না??

 

সাগরেও ঠিক এমনটি হয়।

কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে জাহাজ রুটের নিকটবর্তী জাহাজে Morse code দিয়ে signal পাঠানো হয়।

তো, টাইটানিক ছাড়ার ঠিক ৫ দিন আগে, অর্থাৎ ৫ই এপ্রিল SS Californian নামের মাঝারি একখানা জাহাজ একই রুটে যাত্রা শুরু করে।

 

মজার ব্যাপারটি হলো, তাতে কোনো যাত্রী ছিলো না,কার্গো ছিলো না।কিছুই ছিলো না। 

ফাকা জাহাজ ফাউ ফাউ বিলেত থেকে আমেরিকা যাচ্ছিলো।    

  Sorry, sorry   জাহাজটি আসলে একেবারে খালি ছিলো না।… … 

SS Californian-তে অল্প কিছু মালামাল নেয়া হয়েছিলো। তা হল, তিন হাজার sweaters এবং তিন হাজার blankets  ( হা হা হা )  

( আম্রিকা’তে ব্রিটিশ’দের কোনো গরম কাপড়ের ব্যবসা আছে বলে মনে হয় না

তাহলে এগুলো কী জন্য?? কার জন্য?? কীসের জন্য?? )

 

নাকি তারা আগে থেকেই জানে, টাইটানিক নামক বিশাল একখানা জাহাজ আইসবার্গে গুতা খেয়ে ডুবে যাবে, আর তাতে আরোহী মানুষদের বাঁচাতে SS Californian-কে ছুটে যেতে হবে!! 

সুতরাং, এসব মানুষের জন্যে আগে থেকেই sweater, blanket নিয়ে যেতে হচ্ছে :P

এবার কিছু অদ্ভুত কাহিনী শুনুন। এগুলো সবই documented 

 

১০ই এপ্রিল যাত্রা শুরু করে 14th April, 1912, রাতে টাইটানিক ডুবে যায়।

ওদিকে ১২ই এপ্রিল থেকেই SS Californian অ্যাটলান্টিক মহাসাগরের একবিশাল Ice field-এর সামনে আটকে আছে।সামনে শুধুই ice berg, সামনে যাবার কোনো উপায় নেই।

SS Californian জাহাজের ক্যাপ্টেন Stanley Lord জাহাজটিকে stand by করে রেখেছেন।

 

এখন নিয়ম হল, Captain lord তার নিকটবর্তী, এমনকী দূরবর্তী যত জাহাজ আছে, সবগুলোকে এই রুট avoid করে চলার আগাম বার্তা পাঠাবেন।

তিনি তা পাঠিয়েছিলেন।১৩ থেকে ১৪ই এপ্রিল, এই দুদিনে মোট ৬ খানা public এবং তিনখানা private বার্তা আদান প্রদান হয় Captain lord ও টাইটানিকের ক্যাপ্টেন Edward Smith এর মাঝে।

 (চিত্র-১৬ তে দেখছেন, exact যে স্থানে টাইটানিক ডুবে গেছিলো)



 

শুনলে অবাক হবেন, টাইটানিক জাহাজ যদি নিয়ম অনুসারে White star line কোম্পানির জন্য নির্দিষ্ট জাহাজ রুট ব্যবহার করতো, তাহলে আইসবার্গের সাথে ধাক্কা খাবার কোনো সুযোগই ছিলো না !! 

 

অথচ কোনো এক অজানা কারনে 13th April Captain smith টাইটানিক জাহাজের রুট পরিবর্তন করেন। মাত্র ১৬০ কিমি এগোতেই সোজা গিয়ে ধাক্কা খান আইসবার্গের সাথে !! 

আর তার মাত্র ১৫ কিমি দূরে দাড়িয়ে ছিলো SS Californian 

( মজার ব্যাপার হলো, SS Californian কিন্তু White star line কোম্পানির জাহাজ নয়।)

 

ব্যাপারটা এমন যে, আপনার একবন্ধু ফোন দিয়ে বলল, মতিঝিল এলাকায় পিকেটাররা পেট্রোল বোমা ছুড়ছে। গাড়ি ভাংচুর করছে। এই শুনে, দ্রুত আপনি সদ্য কেনা BMW গাড়ি নিয়ে মতিঝিল চলে গেলেন!! :v কী?? যাবেন না?? 

 

Captain Smith ঠিক তেমন কাজই করেছিলেন।

 

১৪ই এপ্রিল রাত ১১টা ৪২ মিনিটে টাইটানিক আইসবার্গের সাথে ধাক্কা খায়।

ধাক্কা খাওয়ার সাথে সাথেই আকাশে বিশেষ আতশবাজি ফুটিয়ে,সিগ্নাল দিয়ে,Morse code দিয়ে সংকেত পাঠিয়ে আশেপাশের জাহাজ’কে দুর্ঘটনার কথা জানান দেয়।

SS Californian জাহাজের Captain lord এসময় full dress up অবস্থায় সোফার উপর শুয়ে ছিলেন। 

তার ক্রু’রা বিপদ সংকেত (আতশবাজি) দেখে ক্যাপ্টেন lord-কে বললে, তিনি আমলেই নেন নি।

তিনি ভেবেছিলেন, এগুলো জেলে’দের ছোড়া আতশবাজী। শীল মাছ শিকারের জন্য জেলেরা আকাশে সাদা আতশবাজি ফোটায়।

এতে বরফের উপর বসে থাকা শীল মাছগুলো identify করা যায়।

 

(ক্যাপ্টেন lord এতটা নিশ্চিত কিভাবে হলেন?? অনেক conspiracy বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ওইদিন আসলে ক্যাপ্টেন লর্ড বসে ছিলেন কখন তার কাছে টাইটানিক আসবে।

এরপর সাথে থাকা জার্মান U-boat দিয়ে টর্পেডো মেরে জাহাজটিকে ডোবানো হবে। অতঃপর আমজনতাকে উদ্ধার করা হবে, কিন্তু ওই দিন ধনুকুব’কে must মারতে হবে। জাহাজখানা ডুবে যাবে। সেই সাথে তিনজন ধনুকুব ও আরো কিছু Elite মানুষজন।এই ছিল হিসাব-নিকাশ। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, তার আগেই কাকতালীয়ভাবে টাইটানিক’কে উপর ওয়ালা নিজেই ডুবিয়ে দেন )

 

এ প্রসঙ্গে বলি, জার্মান সরকারে সাথে JP Morgan সাহেবের অনেক ভালো সম্পর্ক ছিলো।

তো, আইসবার্গের সাথে ধাক্কা লাগার ২ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজ ডুবে যায়।

SS Californian যদি খবর পাওয়া মাত্র উদ্ধার কাজে আসতো, তাহলে একটা মানুষও মরতো না। মাত্র ২০ মিনিট সময় লাগতো তার accident spot-এ আসতে।

অথচ কোনো এক অজানা কারনে, Engine চালূ অবস্থায় SS Californian দাড়িয়ে ছিলো।

 

টাইটানিক ডোবার এক ঘণ্টা চল্লিশ মিনিট পর, ভোর চারটার দিকে RMS Carpathia নামের অন্য একটি জাহাজ এসে life boat-এ ওঠার কারনে বেঁচে যাওয়া সৌভাগ্যবান মানুষগুলোকে উদ্ধার করে।

এসব মানুষরা আমেরিকা যায়। সারা দুনিয়ার পত্রপত্রিকাতে টাইটানিক ডোবার কথা প্রচার হয়।মার্কিন ও ব্রিটিশ সরকার তদন্তে নামে।জীবিত সবার বক্তব্য নেয়া হয়।

সেই সাথে White Star line-এর কর্মকর্তা ও ম্যানেজমেন্টের লোকেদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়।

 

British Enquiry team-এর সাথে White star line-এর director, Harold Sanderson ভুল বসত বারবার টাইটানিকের জায়গায় “অলিম্পিক” বলে ফেলছিলেন।তার উকিল আবার তাকে সংশোধন করে দিচ্ছিলেন, পাশে বসে বসে।

 documented 12 বার তিনি এই ভুল করেন। কিছুটা আজব, বিশেষ করে এতো বড় কোম্পানির director বলে কথা।

তো তদন্তকাল প্রথমদিকে public থাকলেও কোনো এক অজানা কারনে তার ভেতর secrecy ভাব চলে আসে। বিশেষ করে, বেঁচে যাওয়া সব মানুষদের’কে নতুন কাজের বিনিময়ে official secrecy act সাইন করানো হয়। 

 

 

বেঁচে যাওয়া ক্রু’দের দূর দূরান্তে বদলি করে দেয়া হয়।

যাই হোক, ব্যাপারটা একসময় পলিটিকাল হয়ে যায়। 

ব্রিটিশ সরকার দেখলো, white star line যদি দেউলিয়া হয়ে যায়, তাহলে H&W ও একই সাথে দেউলিয়া হয়ে যাবে।

 ৫০ হাজার মানুষ বেকার হয়ে যাবে।

 আর তখন চলে election campaign, তো both British and American সরকার JP Morgan সাহেবের পক্ষ নিলো। 

WSL-এর পক্ষ নিলো। 

যে করেই হোক, কোম্পানিটাকে বাচাতে হবে। যেহেতু টাইটানিক জাহাজটি ডুবেছে আর সেটার insurance অক্ষত ছিলো,সেহেতু British সরকারের নমনীয়তার কারনে insurance কোম্পানি অতিদ্রুত ইনস্যুরেন্সের টাকা দিয়ে দিলো।

 

এবার খেয়াল করুণ, accident-এর কারনে আগের বছর অলিম্পিক জাহাজের ইনস্যুরেন্স বাতিল হয়ে গিয়েছিলো।

 কিন্তু টাইটানিক জাহাজের সেই আমলের 1.8 million ডলারের ইনস্যুরেন্স অক্ষত ছিল।

interesting বিষয় হল,  maiden voyage এর ঠিক ১০ দিন আগে JP Morgan সাহেব টাইটানিকের ইনস্যুরেন্সের টাকার অংক বাড়িয়ে 3.2 million ডলার করে নেন।

 

এজন্যেই বলা হয়, JP Morgan এক ঢিলে দশ পাখি মেরেছিলেন। 

Federal reserve bank বিরোধীরা সবাই এখন পানির তলে। ১৯১৩ সালে Federal reserve bank গঠিত হল। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হল একেবারে ফালতু থেকে ফালতুতম এক অজুহাত দিয়ে।

White Star line ইনস্যুরেন্সের টাকায় আবার নব জীবন ফিরে পেলো। তাদের অন্য জাহাজ, সেটা টাইটানিক হোক বা Olympic হোক, নাম একটা হলেই হল, আরাম’ছে সার্ভিস দিয়ে গেলো।revenue দিয়ে গেলো আর কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়া, 1935 সাল পর্যন্ত !!! 

 

শেষ একটা চমকপ্রদ তথ্য শেয়ার করি।

 শুরুতেই বলেছিলাম, ১৯০৩ সালে JP Morgan সাহেব white star line কিনেছিলেন।

টাইটানিক বা অলিম্পিকের মত জাহাজ তৈরির আইডিয়া তার মাথায় এমনি এমনি আসে নি।তার প্রিয় লেখক ছিলেন, Morgan Robertson (1861 –1915)

১৮৯৮ সালে তার একটি বই publish হয়। The wreck of Titan

সেখানে Titan নামের এক কাল্পনিক জাহাজের কাহিনী ছিলো।যা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় জাহাজ। এবং অ্যাটলান্টিকে আইসবার্গের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়। 

(believe it or not) বইটির মলাট দেখুন চিত্র-১৭ তে)

 



 

Titan নামক সেই কাল্পনিক জাহাজের কাহিনী জনাব JP Morgan সামহাউ বাস্তবে orchestrate করতে সফল হয়েছিলেন !! 

( ব্যাপারটা খেয়াল করুণ। বইটি লিখা হয়েছিলো সেই ১৮৯৮ সালে )

 

Morgan Robertson নামের এই মার্কিন লেখক শুধু একটি নয়, আরো বেশ কিছু সিরিজ উপন্যাস লিখেছিলেন, বিশাল জাহাজডুবির কাহিনী নির্ভর।

আরো একটা মজার ব্যাপার হলো, 

এ যুগের মানুষ, অর্থাৎ আমাদের টাইটানিক জাহাজ related ধারনাগুলো তৈরি হয়েছে James Cameron-এর ব্লকবাস্টার হিট ছবি ‘Titanic” দিয়ে। তেমনি জেমস ক্যামেরোন’দের যুগের মানুষের ধারনা তৈরি হয়েছিলো একটা বই পড়ে।

 documentary টাইপের বইটির নাম ‘A night to remember” লিখেছিলেন Walter lord

Walter lord সাহেব একজন ex-CIA agent.তাকে অনেকে CIA paid রাইটার হিসেবে অপবাদ দিয়ে থাকেন।

 

যাই হোক, এতো বড় লিখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।আপনি জানলেন, আপনার বন্ধুরও জানার অধিকার আছে।

আমার কাছে টাইটানিক ডুবলো, নাকী অলিম্পিক ডুবলো,এটা কোনো বিবেচ্য বিষয় ছিলো না।

আপনি যখন GREENLINE bus অথবা emirates airline এর টিকিট কাটেন,তখন স্বাভাবিকভাবেই কত নম্বর প্লেটওয়ালা বাস এসব নিশ্চয় খেয়াল করেন না। কারন Greenline এর সব Bus তো একই সাইজের। 

 

টাইটানিক আর অলিম্পিক হুবহু একই জিনিস। নাম মুছে যেটা লিখবেন, সেটাই হয়ে যাবে।

 

কিন্তু ব্যাপারটা relevant হয়ে দাড়ায় তখন, যখন দেখি এর সাথে এতো কিছু, এতো ফাউল প্লে জড়িয়ে আছে। তখন মনে হয়, টাইটানিক আর অলিম্পিক অনেক আলাদা জিনিস।

দিনশেষে একটা জাহাজ ডুবেছে, এটাই সত্য। সেটা white star line এর একই রকম সাইজের টুইন জাহাজের যেটাই হোক। কিন্তু এতো সাধারন মানুষ মারা গেছে, এটাই আসল বিষয়।

জন এস্টারদের মত বড় লোকের লাশ কিন্তু ঠিকই খুজে বের করে প্রপার ফিউনারেল দেয়া হয়েছিলো। 



 

কিন্তু সাধারণ মানুষের এতো ভাগ্য হয় নি। তারা হারিয়ে গেছে শীতল অ্যাটলান্টিকে গভীরে। 

মুভি’তে ঠিক যেমনভাবে দেখিয়েছে। হয়ত কোনো মা তার বাচ্চা’কে বুকে জড়িয়ে গল্প করতে করতেই পানির তলে চলে গেছে।

এই ব্যাপারগুলোই আসল। এগুলোই কষ্টের। এগুলোই সেদিন অ্যাটলান্টিকে গর্ভে হারিয়ে গেছে।

 

 

(*** লেখাটি আমি প্রথম পোস্ট আকারে লিখি এবছরের ৩রা জানুয়ারিতে। ) সুবিধার জন্য আজ note আকারে দিলাম ) 

https://www.facebook.com/mostwanted36/posts/10202804429142104


**** প্রথম পোস্টটি লিখেছিলাম ২০১৩ সালে। আমার ফেসবুকে। সে বহুদিন আগের কথা।  

Read More »